ওসমানীনগরে অচেতন উদ্ধার হওয়া বাবা-ছেলের মৃত্যু, আরও ৩জন হাসপাতালে
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুরের মঙ্গলচন্ডির একটি বাসা থেকে অচেতন অবস্থায় একই পরিবারের ৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওযা গেছে।
মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুরে তাদেরকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে নিযে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত দু’জন হলেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী রফিকুল ইসলাম (৫০) ও তার ছেলে মাইকুল ইসলাম (১৬)। আর গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৪৫), বড় ছেলে সাদিকুল ইসলাম (২৫) ও মেয়ে সামিরা ইসলাম (২০)।
পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, গত ১২ জুলাই ছেলে সাদিকুলের চিকিৎসার জন্য স্বপরিবারে বাংলাদেশে আসেন তারা। এক সপ্তাহ ঢাকায় চিকিৎসা নেয়ার পর ১৮ জুলাই ওসমানীনগরের তাজভরি স্কুলরোডে একটি বহুতল ভবনের দোতলায় বাসা ভাড়া নেন। গত সোমবার রাতে রফিকুলের প্রবাসী পরিবারের ৫ জন এক রুমে, এবং তার শ্বশুর, শাশুড়ি, শ্যালক, শ্যালকের স্ত্রী ও ছেলেসহ ১০ জন অন্যান্য রুমে ঘুমিয়ে পড়েন। শ্বশুর, শাশুড়ি মঙ্গলবার সকালে উঠলেও প্রবাসীরা ঘুম থেকে না উঠায় ৯৯৯ নাম্বারে কল দেন তারা।
এরপর দুপুরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে প্রবাসী ৫জনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পাঠালে রফিকুল ও তার ছেলে মাইকুলকে মৃত ঘোষণা করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক। খবর পেয়ে একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন।
ওসমানীনগর থানার ওসি এসএম মাঈন উদ্দিন বলেন, খাবারের বিষক্রিয়ায় মারা যেতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রফিকুলের শ্বশুর, শাশুড়ি, শ্যালক ও শ্যালকের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডেসিস/জকে/ ২৬ জুলাই ২০২২ইং

IT Factory Bangladesh