বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন

সিলেট



নিজস্ব প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২০২৩-০১-১৯ ০৯:০৯:০৬


বিশ্বনাথে পুলিশি সহযোগীতায় বাড়ি পৌঁছালেন প্রবাসী

স্বজনদের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ দীর্ঘদিনের

মজলিস ভোগশাইল গ্রামের প্রবাসীকে পৌঁছে দিচ্ছে পুলিশ।

বাড়ির গেটে প্রতিপক্ষ চাচাতোভাইরা তালা দিয়ে রাখায় বাড়িতে প্রবেশ করতে না পেরে জাতীয় সেবা নাম্বার ৯৯৯এ কল দিয়ে সহযোগীতা চান নুরুর রহমান ওরফে খলিল চৌধুরী (৫৯) নামের এক যুক্তরাজ্য প্রবাসী। তিনি সিলেটের বিশ্বনা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের মজলিশ ভোগশাইল গ্রামের মৃত মুজিবুর রহমানের ছেলে।

এরপর বিশ্বনাথ থানা পুলিশের এএসআই আবুসালেহ পুলিশ প্রহরায় প্রতিপক্ষকে হাজির করে গেটের তালা খোলে ওই প্রবাসীকে বাড়িতে পৌঁছে দেন। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মজলিশ ভোগশাইল গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, প্রবাসী নুরুর রহমান ওরফে খলিল চৌধুরী ও তার চাচাতো ভাই বাচ্ছু চৌধুরী ও খছরু চৌধুরীর মধ্যে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধসহ উভয় পক্ষে একাধিক মামলা রয়েছে।

উভয় পÿের অংশিদারিত্বের ১০৮শতক জমির মাটি বিক্রি করে দিয়েছেন প্রতিপÿ বাচ্ছু চৌধুরী ও খছরু চৌধুরী। বিদাই সুলপানি মৌজার ৭৬নং জেএলের ১০৭৮,১০৭৯,১০৮১, ১০৮২, ১০৮৩, ১০৯৩,১০৭৭ নং দাগের এই জায়গার মাটি ক্রয় করে নিচ্ছেন একই গ্রামের মৃত আব্দুল মনাফের ছেলে আব্দুল আহাদ। এতে জমির মাটি কাটাতে বাঁধা দেন প্রবাসী নুরুর রহমান ওরফে খলিল চৌধুরী। ওই বাঁধা দেওয়ায় কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষ  প্রবাসীর চাচাতো ভাই বাচ্ছু চৌধুরী ও খছরু চৌধুরী বাড়ির প্রধান গেটে তালা দিয়ে রাখেন। এরপর ক্ষেতের জমি থেকে গ্রামে ফিরে বাড়িতে প্রবেশ করতে না পারায় জাতীয় সেবা নাম্বার ৯৯৯-এ কল দিয়ে সহযোগীতাসহ নিরাপত্ত¡া চান ওই প্রবাসী নুরুর রহমান চৌধুরী ওরফে খলিল চৌধুরী।

গেটে তালা দেওয়ার বিষয়ে সত্যতা জনিয়ে বাচ্ছু চৌধুরী ও খছরু চৌধুরী বলেন, মসজিদের একটি বাথরুম ও বাথরুমে যাবার রাস্তায় কাজ করার জন্য তারা মাটি বিক্রি করেছেন। তাদের প্রতিপক্ষ চাচাতো ভাই খলিল চৌধুরীর বাঁধার প্রেক্ষিতে তার একটি অংশ রেখে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। আর যে গেটে তালা দিয়েছেন সেই গেটের জায়গায় খলিল চৌধুরীর কোন অংশিদারিত্ব নেই বলেও জানান তারা।

পুলিশি প্রহরায় বাড়ি পৌঁছার কথা স্বীকার করে নুরুর রহমান চৌধুরী ওরফে খলিল চৌধুরী বলেন, এখনও তিনি নিরাপত্তাহিনতায় ভোগছেন। পুলিশ তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার পর নানা হুমিকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্বনাথ থানার এএসআই আবু সালেহ বলেন, প্রবাসীকে বাড়ি পৌঁছে দেয়া হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সলর মুহিবুর রহমান বাচ্ছুর উপস্থিতিতে উভয় পক্ষকে সংঘাতে না জড়াতে শতর্কও করা হয়েছে। এছাড়াও ওই বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।


ডেসিস/জেকে/১৯ জানুয়ারি ২০২৩ ইং

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Sidebar Google Ad Code