বিশ্বনাথের বিশিষ্ট লেখক ফিরোজ আলী হৃদরোগে আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি
সিলেটের বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক সিলেটের ডাক পত্রিকার নিয়মিত কলাম লেখক, সমাজ বিশ্লেষক, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বিশ্বনাথের বিলপাড়ের বাসিন্দা এএইচএম ফিরুজ আলী হৃদরোগে আক্রান্ত।
গত তিনদিন ধরে তিনি ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড রিসার্চ সেন্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর হার্টে ৩টি ব্লক ধরা পড়েছে। দু’একদিনের মধ্যে তাঁর হার্টে বাইপাস সার্জারী করা হতে পারে বলে তিনি জানিয়েছেন।
এজন্য তিনি সকলের প্রতি দোয়া কামনা করেছেন। বর্তমানে তিনি ডা: ফজিলাতুন নেছা মালিক এর তত্বাবধানে চিকিৎধীন নিচ্ছেন। দীর্ঘ-জীবন প্রতিকুল পরিবেশ-পরিস্থিতি মোকাবেলা করে লেখা-লেখির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন।
নতুন প্রজন্মের অনেকেই তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করেই এখন সাংবাদিকতা করছেন। সিনিয়র সাংবাদিক সাঈদুর রহমান সাঈদকে নিয়ে তিনি বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব প্রতিষ্টা করেন। আজীবন প্রচারবিমূখ এএইচএম ফিরোজ আলী গরীব-দুঃখি, অসহায়, দূঃস্থ মানুষের পাশে থাকা তাঁর চরিত্রের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য।
জানাগেছে, এরশাদ বিরোধী আন্দোল থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের সকল দুঃসময়ে একজন প্রতিবাদী নেতা হিসেবে বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগকে সু-সংগঠিত রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সময়ে আওয়ামীলীগের অনেক বড় বড় নেতা নীরব ভূমিকায় ছিলেন, তৎকালীন সময়ে তিনি একজন প্রতিবাদী নেতা হিসেবে বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামীলীগকে সু-সংগঠিত রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। সৈয়দা জেবুন্নেসা হক, আ ন ম শফিকুল হক, ইফতেখার হোসেন শামীম, মাসুক উদ্দিন, জাকির হোসেন, এডভোকেট লুৎফুর রহমানসহ সিলেটের সিনিয়র আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
১৯৯৬ সালে তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রহসনমূলক নির্বাচনের দিন বিকালে তাঁর ঘরবাড়ি ভাংচুর করে যৌথবাহিনী। তাঁকে বাড়িতে না পেয়ে যৌথবাহিনী তাঁর প্রয়াত মা সৈয়দা জুবেদা খাতুনকে মারধর করলে তিনি মানসিক ভাবে বিপর্যস্থ হয়ে পরবর্তীতে ষ্ট্রোক করে দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী থাকার পর উন্নত চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণ করেন।
ডেসিস/জেকে/২৪ জানুয়ারি ২০২৩ইং

IT Factory Bangladesh