বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন

সিলেট



নিজস্ব প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২০২৩-০৬-১৭ ০৮:৪৫:১৫


মেয়র প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর ২১দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন-২০২৩ইং

বক্তব্য রাখছেন আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী

নির্বাচিত হওযার ৩ মাসের মধ্যেই সিলেটে দখলদার, ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ ২১দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘাষণা করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

শনিবার (১৭ জুন) সিলেট নগরের একটি হোটেলের হলরুমে তিনি তার ২১দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।

তার ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহারগুলোর মধ্যে রয়েছে, স্মার্ট নগরভবন গড়া, সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব সিলেট গড়া, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পিত নগরায়ন, নিরাপদ স্বাস্থ্যকর সিলেট, দুর্যোগ মোকাবেলায় সচেতনতা, শিক্ষা ও সংস্কৃতিবান্ধব সিলেট, নারীবান্ধব সিলেট, ব্যবসা বান্ধব সিলেট, পার্ক, উদ্যান ও খেলার মাঠ প্রতিষ্ঠা, সচল সিলেট, মানবিক উন্নয়নে সিলেট, প্রবাসী বান্ধব সিলেট, সম্প্রীতির সিলেট, পর্যটনবান্ধব সিলেট, সামাজিক অপরাধ নির্মূল, অংশগ্রহণমূলক ও সুশাসিত সিলেট, নাগরিকবান্ধব সিলেট, তারুণ্যের সিলেট এবং প্রযুক্তির সিলেট গড়া।

২১দফা ইশতেহার ঘোষণাকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় এবং প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এসময় আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আমি আমার সাধ্য, বুদ্ধিমত্তা, যোগাযোগ, প্রচেষ্টাসহ সব মিলিয়ে সিলেটের জন্যে কাজ করতে চাই এবং এই চ্যালেঞ্জটা নিতে চাই। সেজন্য উন্নয়নের ক্ষেত্রে সকল ওয়ার্ডে সমতা ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করা এবং নতুন অন্তভ‚ক্ত ১৫টি ওয়ার্ডে দ্রুত পরিকল্পনার মাধ্যমে নগরায়নের পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে।

তিনি বলেন, সিলেট একটি ঐতিহ্যবাহী ও আধ্যাতিক নগরী। এই নগরকে কোনো অবস্থাতেই নোংরা, দূষণ, যানজট, অনিরাপদ ও অনিশ্চয়তার নগর হিসেবে আমরা দেখতে চাই না। বর্ধিত নগর হিসেবে এখনই সময় পরিকল্পিত নগরায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা। পাশাপাশি এটাও সত্য যে, সিলেট ইতিহাস ও ঐতিহ্যের শহর, আবেগের শহর, স্নিগ্ধতার শহর, লড়াই সংগ্রাম-প্রতিবাদের শহর, অর্জনের শহর, গৌরবের-গর্র্বের শহর, ভালোবাসার শহর, একটি প্রগতিশীল অসা¤প্রদায়িক শহর। তাই সবাইকে ও সবার সহযোগীতা নিয়ে সিলেটকে গড়ে তোলার চেষ্টা করবো।

বর্তমান নগর ভবনের দিকে তাকালেই বুঝা যায় এর অবকাঠামোগত অবস্থা কী পরিমাণ শোচনীয়। ভবনটি অর্ধেক নির্মিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। প্রধান ফটক বন্ধ, গাড়ির প্রবেশ এবং নির্গমন পথ অচিহ্নিত, সামনের খালি জায়গায় নির্মাণ যন্ত্রপাতিসম্বলিত গাড়ি পার্ক করে রাখা, বেইজমেন্টের র‌্যাম্পের ঢালেও গাড়ি রাখা- এই হলো অবস্থা। আর ভবনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলেতো দিশেহারা হবার অবস্থা-কোথায় কী আছে, কোন দিকে কোন দপ্তর, তার কোনো সুশৃঙ্খল বিন্যাস নেই। তথ্যকেন্দ্রও অকার্যকর।

তিনি বলেন, যে প্রতিষ্ঠান থেকে একটি মহানগরের যাবতীয় নাগরিক সেবা পরিচালিত হয় সেই প্রতিষ্ঠান যদি অপর্যাপ্ত, অপূর্ণাঙ্গ ও অদক্ষ হয়, তখন জনগণকে কাঙ্খিত যুগোপযুগী সেবা প্রদান অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তাই আমি প্রথমেই এই প্রতিষ্ঠানের উপরোক্ত সকল সমস্যা  চিহ্নিত করে কার্যকর উদ্যোগী ভূমিকা প্রহণ করবো।


ডেসিস/জেকে/17.06.2023

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Sidebar Google Ad Code