রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪১ অপরাহ্ন

সিলেট



নিজস্ব প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২০২৩-০৮-২১ ০৮:৫৫:০১


টানা পাঁচদিন পর সিলেটে পাথর আমদানি শুরু, খুশি শ্রমিকরা

তামাবিল স্থলবন্দর

টানা ৫দিন পর সিলেটের সব বন্দর দিয়ে পাথর ও চুনাপাথর আমদানি শুরু করা হয়েছে। সোমবার (২১আগষ্ট) থেকে পাথর ও চুনাপাথর আমদানি শুরু করা হয়।

এর আগে রোববার (২০আগষ্ট) বিকেলে কাস্টমস কর্মকর্তাদের সাথে সিলেটের আমদানিকারকদের বৈঠক হয়।

বৈঠক শেষে ফের আমদানি শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। টানা বন্ধের পর সোমবার থেকে চালু হওয়ায় তামাবিল স্থলবন্দরে ফিরে আসে আগের কর্মচাঞ্চল্য। বন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে পাথরবাহী ট্রাক। ৫দিন পর কাজে ফিরতে পেরে খুশি শ্রমকিরাও।

জানাগেছে, তামাবিল স্থলবন্দর ছাড়া সিলেট বিভাগে আরো ১২টি শুল্ক স্টেশন রয়েছে। সেগুলো হলো কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ, সুনামগঞ্জের বাগলি, বড়ছড়া, চারাগাও এবং ছাতকের ইছামতি ও চেলা স্টেশন।

এগুলো দিয়ে মূলত চুনাপাথর ও বোল্ডার আমদানি করা হয়। তবে, পাথর ও চুনাপাথর আমদানিতে এসেসমেন্ট ভ্যালু ২ ডলার বাড়ানোর প্রতিবাদে গত বুধবার (১৬আগষ্ট) থেকে সিলেট বিভাগের সব স্থল বন্দর ও শুল্ক স্টেশন দিয়ে পাথর ও চুনাপাথর আমদানি বন্ধ করে দেন আমদানিকারকরা।

সিলেটের বন্দর ও শুল্ক স্টেশনগুলো দিয়ে মূলত বড় পাথর (বোল্ডার) ও চুনাপাথর আমদানি করা হয়। কয়েকটি শুল্ক স্টেশন দিয়ে কয়লাও আমদানি হয়। ফলে পাথর ও চুনাপাথর আমদানি বন্ধ করে দেওয়ায় অচল হয়ে পড়ে স্থল বন্দর ও শুল্ক স্টেশনগুলো। এতে যেমন বিপাকে পড়েন শ্রমিকরা তেমনি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয় সরকারও।

তামাবিল চুনা পাথর ও কয়লা আমদানীকারক গ্রুপের সভাপতি লিয়াকত আলী ও সহসভাপতি সানোয়া হোসেন ছেনু জানান, কাস্টমসের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে চুনাপাথরের ডিউটি (ইম্পোর্ট অ্যাসেসম্যান্ট রেট) সাড়ে ১১ ডলার থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ১৩ ডলার এবং বড় পাথরের (বোল্ডার) রেট ১১ ডলার বাড়িয়ে ১৩ ডলার করার কথা জানানো হয়েছে। এ কারণে ট্রাক প্রতি ব্যয় ১২ থেকে ১৩শ’ টাকা বেড়ে যাবে। তাই আমরা আমদানি বন্ধ করেছিলাম।

ডলারের মূল্যস্ফীতির কারণেই শুল্ক বেড়েছে জানিয়ে কাস্টমস সিলেট অঞ্চলের ডেপুটি কমিশনার সোলাইমান হোসেন বলেন, এসেমেনট ভ্যালু বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে নেওয়া হয়েছিলো।

তবে ব্যবসায়ীদের আপত্তির মুখে এটা পুণর্বিবেচনা করা হয়েছে। আগের ৮৪ টাকার পরিবর্তে এখন ডলারের মূল্য ১০৯ টাকা। ডলারের মূল্যস্ফীতির কারণেই শুল্ক বেড়েছে।


ডেসিস/জকে/ ২১ আগষ্ট ২০২৩ইং

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Sidebar Google Ad Code