বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন

সিলেট



নিজস্ব প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২০২৩-০৯-২৬ ০৮:৩৬:৩৮


বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যান নুনু’র বিরুদ্ধে একদিনে আরও দুই মামলা

বরাদ্দের নামে ৬০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ছবি: উপজেলা চেয়ারম্যান নুনু মিয়া

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়ার বিরুদ্ধে একদিনে আরও দুই মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সিলেটের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট প্রথম আদালতে এই দু’টি প্রথক মমালা করেন ভূক্তভোগীরা।

পৃথক মামলায় সরকারি বরাদ্দ দেবার নাম করে ৬০হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয় উপজেলা চেযারম্যান এসএম নুনু মিয়া ও তার পিএস দবির মিয়ার বিরুদ্ধে।

পৃথক মামলায় উপজেলা চেয়ারম্যানের পিএস পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য দবির মিয়াকে প্রধান আসামি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়াকে ২য় আসামি রাখা হয়েছে। এই দুই মামলা নিয়ে মোট ১১ মামলায় অভিযুক্ত হলেন উপজেলা চেয়ারম্যান নুনু মিয়া।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাডভোকেট সুমন পারভেজ ও বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ। তারা জানান, ওইদিন (মঙ্গলবার) শুনানী শেষে আদালতের বিচারক মো. আলমগীর হোসেন মামলা দুটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য বিশ^নাথ থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) দায়িত্ব প্রদান করেছেন। বাদী দু’জনের একজন হচ্ছেন লিলু মিয়া (৫২)। তিনি উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের মাধবপুর (খোজার পাড়া) গ্রামের মৃত হাজী মফিজ আলীর ছেলে। আদালতে তার দায়ের করা বিশ্বনাথ সিআর মামলা নং ৩৬৪/২০২৩। অপর মামলার বাদী হচ্ছেন নুর হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তি। তিনিও খোজারপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। আদালতে তার দায়ের করা বিশ্বনাথ সিআর মামলা নং ৩৬৫/২০২৩।

মামলার এজাহারে বাদী লিলু মিয়া অভিযোগ করেছেন, তিনি নিজেই একজন শারীরীক প্রতিবন্ধী হওযায় তার সন্তানরাও প্রতিবন্ধী। প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ‘গভীর নলকূপসহ ওয়াশ ব্লক’ পাবার জন্য উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়।

এরপর চেয়ারম্যানের কথামতে চলতি ২০২৩ সালের ১জানুয়ারি তার পিএস দবির মিয়ার নিকট ২০হাজার টাকা জমা দেন। কিন্তু দীর্ঘ ৯মাসেও বরাদ্দ কিংবা টাকা ফেরত না পাওয়ায় সম্প্রতি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও তার পিএস টাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

একই অভিযোগ মামলার অপর বাদী নুর হোসেনেরও। একই বরাদ্দের জন্য চলতি ২০২৩ সালের বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিবন্ধী ভাতিজা মুস্তাকিনের জন্য ওয়াশ ব্লক পেতে ২০ হাজার টাকা দবির মিয়ার নিকট জমা দেন।

একই তারিখে একই সময়ে গ্রামের আরেক অসহায় নারী শায়রা বেগমকে ওয়াশ ব্লক পাইয়ে দিতে দবির মিয়ার নিকট আরও ২০ হাজার টাকা জমা দেন। কিন্তু সম্প্রতি যোগাযোগ করা হলে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অভিযুক্তরা অস্বীকার করেন। 

তবে, এসকল অভিযোগ মিথ্যা দাবি করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম নুনু মিয়া। তিনি বলেন, একটি পক্ষ তাকে ঘায়েল করতে উঠেপড়ে লেগেছে এবং এরাই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করাচ্ছে।


ডেসিস/জেকে/ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ইং

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Sidebar Google Ad Code