সিলেটে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যেিদয় হরতাল পালিত
হরতাল চলাকালে সিলেটের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এতে ককটেল বিস্ফোরণ, বাস, সাংবাদিকের মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা ভাঙচুর করেছে পিকেটাররা।
এঘটনায় পুলিশ ৭ বিএনপি নেতাকর্মীকে আটক করেছে। রোববার (২৯ অক্টোবর) বিকেল পর্যন্ত মহানগর এলাকার একাধিক স্থানে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বিভিন্ন স্থানে হরতালকারীরা মিছিল বের করার চেষ্টা চলালে পুলিশ তাদেরকে তাড়িয়ে দেয়। হরতালে অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ও দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করেনি। তবে, বিচ্ছিন্নভাবে কিছু বাস ও লেগুনা চলাচল করছে। নগরীতে বিচ্ছিন্নভাবে রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর জিন্দাবাজারে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে পিকেটিংয়ের চেষ্টা করলে তাদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। এ সময় তাঁতিপাড়ার গলি থেকে বিএনপির নেতাকর্মী হঠাৎ বের হয়ে পুলিশের দিকে ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পুলিশ রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে তারা পালিয়ে যায়।
দরগা গেইটে রিকশা ও ফটো সাংবাদিক মামুন হোসেনের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে পিকেটাররা। সকাল ৯টার দিকে সুবিদবাজার এলাকার একটি গলি থেকে জামায়াত কর্মীরা মিছিল বের করার চেষ্টাকালে ধাওয়া করে পুলিশ।
এদিকে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ ৩-৫টি যানবাহনে ভাঙচুর করেছে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীরা। একটি অটোরিকশায় তারা আগুনও দেয়। একই সময়ে জেলরোড পয়েন্টে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বিএনপি নেতাকর্মীরা।
২৫-৩০ জন বিএনপি নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে ওই বিস্ফোরণ ঘটায়। সকাল ১০টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজারে গাছ ফেলে অবরোধ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা।
সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কোহিনূর আহমদ ও সহ-দপ্তর সম্পাদক মাহবুব আলমের নেতৃত্বে একদল কর্মী অবরোধের চেষ্টাকালে পুলিশ তাদের তাড়িয়ে দেয়।
একই সময়ে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার তেতলিতে টায়ারে আগুন দিয়ে বিক্ষোভ করেন উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। ওই সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে পুলিশের সঙ্গে। এসময় দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ৩জনকে ও কোতোয়ালি থানা পুলিশ আরও ৪ জনকে আটক করেছে বলে জানাগেছে।
এসএমপির উপপুলিশ কমিশনার আজবাহার আলী শেখ জানান, সিলেটে হরতাল চলাকালে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে পিকেটাররা। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মাঠে পুলিশ, সিআরটি ও র্যাব মোতায়েন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডেসিস/জেকে/ ২৯ অক্টোবর ২০২৩ইং

IT Factory Bangladesh