রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

জাতীয়



ডেসিস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০২৩-১০-১৬ ০৮:২৯:০৭


সংলাপ নয় আগে পদত্যাগ : প্রধানমন্ত্রীকে মির্জা ফখরুল

বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল একটা বিবৃতি দিয়েছেন। এ বিবৃতির প্রধান কথা হলো সংলাপ।

সেটার জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন- আমরা তখনই আলোচনায় বসতে রাজি আছি, যখন বিএনপি সমস্ত শর্ত বাদ দিয়ে আলোচনায় আসবে।

আমার প্রশ্ন, আপনারা কি সাংবিধানিকভাবে বৈধ? এটা আপনাদেরকে প্রমাণ করতে হবে। সবার আগে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।

সোমবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং সরকারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে আয়োজিত যুব-সমাবেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।

যুবদলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

সমবাবেশে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের বিজ্ঞপ্তির কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এ দলটি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কোনো প্রতিনিধি দল নয়। এ দলটি হচ্ছে সম্পূর্ণ স্বাধীন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রধান দল রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট পার্টির থিংক ট্যাঙ্ক তারা পাঠিয়েছে যে, বাংলাদেশে কোনো নির্বাচনের পরিস্থিতি আছে কি-না তা দেখতে।

আর নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বড় কোনো টিম পাঠাবে কি-না, এটা দেখাও তাদের উদ্দেশ্য ছিল। তারা ৫ দিন বাংলাদেশের নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, সম্পাদক, নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা একটা বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা ৫টি সুপারিশ করেছেন। এর মধ্যে প্রধান কথা হচ্ছে সংলাপ।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে যে বলছেন সংবিধানের ভিত্তিতে হতেই হবে, তাহলে সবার আগে আপনাকে পদত্যাগ করতে হবে। কারণ আপনি অবৈধভাবে আছেন। ভূতের মুখে রাম নাম শোভা পায় না। আপনি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে, জোর করে ক্ষমতায় আছেন।

আমাদের কথা পরিষ্কার, আগে পদত্যাগ করেন, সংসদকে বিলুপ্ত করেন, নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা তুলে দেন এবং একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে তাদের মাধ্যমে নির্বাচনে আসেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে, বিচার বিভাগ, প্রশাসনসহ সবকিছু দলীয়করণ করছে। পুলিশ সদস্যদের বলতে চাই, আমরা জানি আপনারা বেআইনি কাজ করতে চান না। আমরা জানি আপনারা আইনের শাসন মেনে কাজ করতে চান।

এই আওয়ামী লীগ আপনাদের সংবিধানকে দূরে রেখে, আইনের শাসন দূরে রেখে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন করতে বাধ্য করে।

যুবলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টনের সঞ্চালনায় যুব সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান রবকত উল্লাহ বুলু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম ও ফরহাদ হালিম ডোনার, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের এসএম জিলানী, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন ও ছাত্রদলের রাশেদ ইকবাল খান।


ডেসিস/জেকে/১৬ অক্টোবর ২০২৩ইং

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Sidebar Google Ad Code